গেমিং যখন বিনোদন থেকে সমস্যায় পরিণত হয়, তখন সাহায্য পাওয়া জরুরি। Giodbet বিশ্বাস করে প্রতিটি খেলোয়াড়ের নিরাপত্তা আনন্দের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই পেজে আমাদের সমস্ত সুরক্ষা সরঞ্জাম ও নির্দেশিকা পাবেন।
গেমিং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছেন মনে হলে অবিলম্বে আমাদের সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা ২৪/৭ আপনার পাশে আছি।
আপনার গেমিং অভিজ্ঞতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা যে সুবিধাগুলো দিই
প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহ বা প্রতি মাসে কতটুকু জমা দেবেন এবং কত বাজি ধরবেন তা নিজেই ঠিক করুন। সীমা পৌঁছে গেলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে থামিয়ে দেবে।
মাথা ঠান্ডা করতে চাইলে ২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন বা ৩০ দিনের জন্য অ্যাকাউন্ট বিরতিতে রাখুন। বিরতি চলাকালীন লগইন করা সম্ভব হবে না।
দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় পড়লে ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখার অনুরোধ করুন। এই সময়ে কোনো প্রমোশনাল মেসেজও পাবেন না।
১৮ বছরের কম বয়সী কেউ যেন Giodbet ব্যবহার না করতে পারে তার জন্য কঠোর বয়স যাচাই প্রক্রিয়া চালু আছে। অভিভাবকদের ফিল্টার সফটওয়্যার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।
একটানা কতক্ষণ খেলবেন তার সময়সীমা নিজেই নির্ধারণ করুন। নির্দিষ্ট সময় পার হলে সিস্টেম আপনাকে মনে করিয়ে দেবে এবং প্রয়োজনে বিরতিতে পাঠাবে।
নির্দিষ্ট সময় পর পর স্ক্রিনে মনে করিয়ে দেওয়া বার্তা আসে – কতক্ষণ খেলছেন, কত জিতেছেন বা হেরেছেন। এই তথ্য আপনাকে সচেতন রাখতে সাহায্য করে।
অনলাইন গেমিং বা বেটিং – এটা যদি বিনোদনের জায়গায় থাকে, তাহলে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যখন খেলার টান এতটা বেড়ে যায় যে পরিবার, কাজ বা আর্থিক অবস্থার ক্ষতি হতে শুরু করে, তখন বুঝতে হবে সাহায্য দরকার। Giodbet মনে করে, একজন খেলোয়াড়ের সুস্থতা আমাদের ব্যবসার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
দায়িত্বশীল গেমিং মানে শুধু নিয়ম মানা নয় – এটা হলো নিজেকে এবং নিজের পরিবারকে সুরক্ষিত রাখার একটা মানসিকতা। Giodbet-এ আমরা সেই মানসিকতাকে সমর্থন করি এবং প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম বিনামূল্যে দিই।
"গেমিং বিনোদনের জন্য, সমস্যার জন্য নয়। Giodbet-এ খেলা মানে হাসিমুখে খেলা – চাপের মুখে নয়।"
অনেকেই বুঝতে পারেন না কখন থেকে বিনোদনের গেমিং আসক্তিতে রূপ নিয়েছে। কারণ এটা হয় ধীরে ধীরে। কিছু সতর্ক সংকেত আছে যা দেখলে সজাগ হওয়া দরকার। যদি হারানো টাকা ফিরে পেতে বারবার খেলতে থাকেন, অথবা গেমিং নিয়ে মিথ্যা বলতে শুরু করেন, তাহলে সময় এসেছে থামার।
Giodbet-এ সেলফ-অ্যাসেসমেন্ট টুল আছে যেখানে নিজেই পরীক্ষা করতে পারবেন আপনার গেমিং অভ্যাস কোন পর্যায়ে আছে। এই পরীক্ষায় কোনো বিচার নেই, শুধু আছে সত্যিকারের সাহায্যের পথ।
ঘরে ছোট ভাই-বোন বা সন্তান থাকলে কম্পিউটার বা মোবাইলে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল চালু করুন। Giodbet-এ লগইন করার জন্য পাসওয়ার্ড সব সময় গোপন রাখুন। আপনার অ্যাকাউন্ট শেয়ার করবেন না – এটা শর্তাবলী লঙ্ঘনও এবং পরিবারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণও।
যদি কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেছেন বা করার চেষ্টা করেছেন বলে সন্দেহ হয়, তাহলে সাথে সাথে Giodbet-এর সাপোর্ট টিমকে জানান।
বেটিং বা গেমিংকে আয়ের উৎস হিসেবে না ভেবে বিনোদনের খরচ হিসেবে ভাবুন। মাসিক বিনোদন বাজেটের মধ্যে রাখুন। ধার করা টাকা বা জরুরি তহবিল দিয়ে কখনো গেমিং করবেন না। জেতার প্রত্যাশায় না খেলে বরং খেলার আনন্দের জন্য খেলুন।
Giodbet-এর ডিপোজিট লিমিট ফিচার ব্যবহার করে নিজের জন্য মাসিক সীমা ঠিক করে নিন। এই সীমা একবার সেট করলে সাথে সাথে বাড়ানো যায় না – ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এই কুলিং পিরিয়ড আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বাঁচায়।
অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে যেকোনো সময় সীমা পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে সীমা কমালে তাৎক্ষণিক কার্যকর হয়, আর বাড়াতে চাইলে ২৪–৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়।
দীর্ঘমেয়াদী বিরতি দরকার মনে হলে স্ব-বর্জন চালু করুন। এটা সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা সরঞ্জাম।
প্রতি ৩০, ৬০ বা ৯০ মিনিটে স্বয়ংক্রিয় বার্তা পাবেন – কতক্ষণ খেলছেন এবং আর্থিক অবস্থা কেমন। এটা চালু রাখুন – সচেতন থাকতে সাহায্য করে।
এই লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি দেখলে সাহায্য নিতে দেরি করবেন না
"চেজিং লসেস" – হারার পর আরো বেশি বাজি দিয়ে পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা।
পরিবার বা বন্ধুদের কাছে কতটা খেলছেন বা হারছেন তা লুকানো।
বিল, ভাড়া বা খাবারের টাকা দিয়ে বাজি ধরা।
গেমিং বন্ধ করার চেষ্টা করেও বারবার ফিরে আসা।
গেম খেলতে না পারলে অস্থির, রাগান্বিত বা বিষণ্ণ অনুভব করা।
পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কমিয়ে গেমিংকে প্রাধান্য দেওয়া।
উপরের যেকোনো একটি বা একাধিক লক্ষণ নিজের মধ্যে দেখলে লজ্জার কিছু নেই। সাহায্য চাওয়াই সাহসের কাজ। Giodbet-এর সাপোর্ট টিম গোপনীয়তার সাথে সাহায্য করতে প্রস্তুত।
নিচের প্রশ্নগুলো মনে মনে উত্তর দিন। যদি বেশিরভাগ উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে সাহায্য নেওয়ার সময় এসেছে।
যদি তিনটির বেশি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে আমাদের সাপোর্ট টিমের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা বিচার না করে সাহায্য করব।
গেমিং শুরুর আগেই ঠিক করুন কত টাকা খরচ করবেন। সেই পরিমাণ পৌঁছানোর পর থামুন, সেটা জেতা হোক বা হারা।
প্রতিদিন কতক্ষণ গেমিং করবেন তা আগে ঠিক করুন। টাইমার সেট করুন এবং সময় হলে উঠে পড়ুন।
রাগে, দুঃখে বা মাতাল অবস্থায় কখনো বাজি ধরবেন না। মাথা ঠান্ডা থাকলেই সিদ্ধান্ত নিন।
জেতার মতো হারাও স্বাভাবিক। হারানো টাকা ফেরানোর মানসিকতা আসক্তির প্রথম ধাপ।
দীর্ঘক্ষণ এক টানা গেমিং করবেন না। প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১০ মিনিটের বিরতি নিন।
গেমিং ছাড়াও জীবনে অন্য কার্যকলাপ রাখুন – পরিবার, বন্ধু, শখ। শুধু গেমিংয়ে নির্ভর করবেন না।
সাধারণ জিজ্ঞাসা ও উত্তর
আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি খেলোয়াড়ের সুস্বাস্থ্য ও পরিবারের সুখ যেকোনো ব্যবসায়িক লাভের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। Giodbet গেমিং আসক্তি প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করে – প্রতিটি সরঞ্জাম বিনামূল্যে পাওয়া যায়, কোনো শর্ত নেই। যদি কখনো মনে হয় সাহায্য দরকার, একটু সাহস করে যোগাযোগ করুন। আমরা আছি।
Giodbet-এ গেমিং মানে নিরাপদ গেমিং। সীমা মেনে, বিরতি নিয়ে এবং পরিবারের কথা মাথায় রেখে খেলুন। আজই নিবন্ধন করুন এবং দায়িত্বশীল গেমিং পরিবারের অংশ হন।